শ্রীলঙ্কার হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসার অভাবে মারা যাচ্ছে রোগী


শ্রীলাকা সংকট: 1948 সালে স্বাধীনতার পর থেকে শ্রীলঙ্কা একটি গুরুতর অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ কারণে দেশে মূল্যস্ফীতি চরমে পৌঁছেছে। শ্রীলঙ্কা সরকারের কাছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গেছে, যার কারণে দেশে আমদানি পণ্যের ব্যাপক ঘাটতি দেখা দিয়েছে। ওষুধ থেকে শুরু করে খাদ্যসামগ্রীর বড় সংকট দেখা দিয়েছে শ্রীলঙ্কায়। হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করছে।

সরকার ও প্রশাসন চাইলেও দেশবাসীকে সাহায্য করতে পারছে না, যার কারণে সরকারের বিরুদ্ধে জনগণের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। জনগণ রাজপথে নেমে সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করছে। একই সঙ্গে আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার জন্য জনগণকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে সরকার। কিন্তু সরকারের ব্যর্থতায় জনমনে চরম ক্ষুব্ধ। শ্রীলঙ্কায় পুলিশ ও জনসাধারণের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা সামনে আসছে। শ্রীলঙ্কার অবস্থা এভাবে চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে এর ভয়াবহ পরিণতি দেখা যেতে পারে।

  শ্রীলঙ্কায় জ্বালানি সংকট গভীর, পেট্রোল পাম্পে সেনা মোতায়েন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে বাধ্য

চিকিৎসার অভাবে মারা যাচ্ছে রোগীরা

শ্রীলঙ্কায় ক্যান্সার, হার্ট অ্যাটাকের মতো মারাত্মক রোগে আক্রান্ত মানুষ হাসপাতালে চিকিৎসার অভাবে মারা যাচ্ছে। চিকিৎসকরা চাইলেও রোগীদের চিকিৎসা দিতে পারছেন না। চিকিৎসকদের মতে, দেশে ওষুধের ব্যাপক ঘাটতি দেখা দিয়েছে, যার কারণে সময়মতো ওষুধ না পেয়ে রোগী মারা যাচ্ছে। এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে বহু মানুষকে প্রাণ হারাতে হবে। শ্রীলঙ্কা তার চিকিৎসা সরবরাহের 80 শতাংশের বেশি আমদানি করে। অর্থনৈতিক মন্দার কারণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ফুরিয়ে যাচ্ছে। যার জেরে সেখানকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে।

শ্রীলঙ্কায় জ্বালানি সংকট ঘনীভূত হয়েছে

শ্রীলঙ্কায় জ্বালানি সংকট ঘনীভূত হচ্ছে। মানুষের গাড়িতে তেল ফুরিয়ে গেছে। যার কারণে অনেক পরিষেবার প্রভাব দেখা দিতে শুরু করেছে। শ্রীলঙ্কার হালদামুল্লা এলাকায় এক দম্পতি তাদের নবজাতক শিশুকে হারিয়েছে কারণ বাবা তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য গাড়িতে পেট্রোল পাননি।

  আর্থিক সংকটে ভারত কীভাবে তার প্রতিবেশীকে সাহায্য করছে? উপদেষ্টা কমিটিকে জানাবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড

সিলিন্ডারের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়

শ্রীলঙ্কা বর্তমানে তীব্র জ্বালানি সংকটের সম্মুখীন। দেশে জ্বালানি মজুদ প্রায় নিঃশেষ হওয়ার পথে।একই সাথে দেশটির সরকারের কাছে আমদানির জন্য পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রার অভাব রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে শ্রীলঙ্কার নাগরিকরা বেশিরভাগ বাড়িতে রান্নার জন্য ব্যবহৃত এলপিজি সিলিন্ডারের দুই থেকে চারটি সংকটের সম্মুখীন হচ্ছেন। রাজধানী কলম্বোতে এলপিজি সিলিন্ডারের জন্য ৩-৪ দিন লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও রান্নার জন্য কোথাও গিয়ে সিলিন্ডার মিল পার হতে হয়। সরকার দৈনিক মাত্র 200টি সিলিন্ডার বিতরণ করছে।

আরও পড়ুন:-

কোয়াডের বাজি, রাশিয়া-চীনের ওপর চাপ: জেনে নিন কী বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি-প্রেসিডেন্ট বিডেন-সহ নেতারা। 10টি বড় জিনিস

,



Source link

Leave a Comment