রঞ্জন ডেভ।

যোধপুর। রাজস্থানের যোধপুরের লুনি থানা এলাকার স্যার গ্রামে ভাই-বোনের খুনের ঘটনায় সন্দেহভাজন এক মহিলাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। এই মহিলা প্রধান অভিযুক্তের পরিচিত বলে জানা গেছে। বিষয়টি কেস অফিসার স্কিমের আওতায় নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে মূল অভিযুক্ত শঙ্কর প্যাটেল যোধপুর ছেড়ে যাওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ তাকে গ্রেফতারে তৎপরতা জোরদার করেছে। এর আগে, ধর্নায় উভয়ের সম্মতির পর বুধবার ময়নাতদন্ত শেষে তাদের লাশ গ্রামে দাহ করা হয়। এ সময় সেখানে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়। অন্যদিকে লুনী শহরের বাজার তৃতীয় দিনের মতো বন্ধ রয়েছে।

পুলিশের ডেপুটি কমিশনার পশ্চিম গৌরব যাদব জানিয়েছেন, আটক মহিলাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। সে প্রধান অভিযুক্ত শঙ্কর প্যাটেলের পরিচিত। এতে তদন্তে অনেক তথ্য পাওয়া যাবে। মূল অভিযুক্ত যোধপুর থেকে পলাতক। তার খোঁজে পুলিশের দল বিকানের প্রভৃতি স্থানে তল্লাশি চালাচ্ছে। তিনি ধরা পড়লে মামলায় আরও অনেক তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।

স্ত্রীর সঙ্গে রমেশ প্যাটেলের সম্পর্ক ভালো ছিল না।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অবৈধ সম্পর্কের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। স্ত্রীর সঙ্গে মৃত রমেশ প্যাটেলের সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিল না। শঙ্কর প্যাটেল নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে বন্ধুত্বের কারণে তার স্ত্রী তাকে তার যন্ত্রণার কথা জানিয়েছিলেন। এরপর শঙ্কর তার পরিচিত কয়েকজন রমেশ মালি, সোহান সুথার এবং রাকেশ প্যাটেলকে নিয়ে রমেশ প্যাটেলকে হত্যার পরিকল্পনা করে। এই লোকদের রমেশ প্যাটেলের পথ থেকে সরাতে হয়েছিল। কিন্তু অভিযুক্তরা রমেশের সঙ্গে বাইকে যাচ্ছিল কবিতাকেও হত্যা করে।

কেস অফিসার স্কিম তদন্ত গৃহীত
ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ, পশ্চিম গৌরব যাদবের মতে, বিষয়টি কেস অফিসার স্কিমের অধীনে নেওয়া হয়েছে যাতে অভিযুক্তকে তাড়াতাড়ি ধরা যায় এবং সংক্ষুব্ধ পক্ষকে ন্যায়বিচার করা যায়। কেস অফিসার স্কিমে, লুনির এসএইচও ঈশ্বরচাঁদ পারীক এটি তদন্ত করছেন। একই সঙ্গে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও পুরো বিষয়টির ওপর নজর রাখছেন।

সোমবার স্যার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে
উল্লেখ্য, সোমবার সকালে লুনি থানা এলাকার স্যার গ্রামের উপকণ্ঠে এ ঘটনা ঘটে। কবিতা প্যাটেল পাটোয়ারী পরীক্ষা 2021 এ নির্বাচিত হয়েছিল। এর পরে, সোমবার, তাকে প্রথমবার যোধপুর তহসিল অফিসে যোগদান করতে হয়েছিল। কবিতা রোহিচা কালান গ্রামের বাসিন্দা। স্যার গ্রামে তার শ্বশুরবাড়ি আছে। তবে তার শ্বশুর ও পেহার পক্ষের লোকজন কর্ণাটকে থাকেন। তার খালার ছেলে রমেশ প্যাটেল এই গ্রামেই থাকতেন।

গাড়ির চালক দুজনকেই টেনে নিয়ে যায়
লুনি থেকে যোধপুরের দূরত্ব প্রায় ৩৭ কিলোমিটার। এমতাবস্থায় রমেশ মাসির মেয়ে কবিতাকে বাইকে করে যোধপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হন। গ্রাম ছেড়ে যাওয়ার সময় একটি এসইউভি গাড়ি তাকে ধাক্কা দেয়। দুর্ঘটনার পর গাড়ির চালক থামেননি। দুই ভাইবোনকে টেনে নিয়ে যায়। দুর্ঘটনার পর দুই ভাই-বোনকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এসইউভি গাড়ি থেকে কিছু হকি স্টিক ও বেসবল ব্যাটও উদ্ধার করা হয়েছে।

ট্যাগ: অপরাধের খবর, যোধপুরের খবর, হত্যা মামলা, রাজস্থানের খবর

,



Source link

Previous article‘মাঠের বাইরে খুব বেশি মজা করবেন না…’, ইংল্যান্ডে জ্বলে ওঠার পর ভারতীয় তারকাকে শোয়েব আখতারের পরামর্শ
Next articleআপনার চুল কি অল্প বয়সে সাদা হয়ে যাচ্ছে? বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে এর কারণ, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জেনে নিন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here