হাইলাইট

আজমগড় জেলায় বৃষ্টির কারণে কৃষকরা তাদের জমিতে ধান রোপণে ব্যস্ত ছিলেন।
জেলায় বজ্রপাতে ধান রোপনকারী মেয়েসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
বজ্রপাতে অর্ধ ডজন লোক ঝলসে যাওয়ায় কৃষক পরিবারে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

আজমগড়: উত্তরপ্রদেশের আজমগড় জেলায়, যেখানে কৃষকরা বৃষ্টির কারণে তাদের ক্ষেতে ধান রোপণে ব্যস্ত ছিলেন, অন্যদিকে বজ্রপাতে ধান রোপণকারী এক মেয়েসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। অর্ধ ডজন লোক ঝলসে গেছে, যার কারণে সেখানে কৃষক পরিবারে তোলপাড়। বৃহস্পতিবার থেকে জেলায় বর্ষা ঢুকেছে। শুক্রবারও বর্ষা ভালো ছিল। ভালো বৃষ্টি হওয়ায় ক্ষেতে ধান বপনে ব্যস্ত কৃষকরা।

একই দিন বিকেলে দেবগাঁও কোতয়ালীর সরাই খুরসু গ্রামে টেকসু রাজভরের মেয়ে প্রিয়াঙ্কা তার বোন প্রিয়াকে নিয়ে মাঠে ধান রোপণ করছিলেন। বৃষ্টির মাঝখানে বিকট শব্দে স্বর্গীয় বজ্রপাত পড়লে দুজনেই তার কবলে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই প্রিয়াঙ্কার মৃত্যু হয়, প্রিয়া গুরুতরভাবে ঝলসে যায়। যাকে লালগঞ্জে অবস্থিত কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।

অনেক গ্রামে ধান রোপনের সময় মানুষ ঝলসে গেছে
একই সময়ে তারাওয়ান থানা এলাকার হয়বতপুর দুভাব গ্রামে বজ্রপাতে আকাশ কুমারের মৃত্যু হয়। তিনি তার জমিতে চলমান রোপনের জন্য ধান নার্সারিতে পৌঁছানোর পথে ছিলেন। বিকট শব্দে বজ্রপাত হলে তাদের চিৎকার শুনে লোকজন তাদের দিকে ছুটে আসে, সেখানে তারা অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকে। পাশের মাঠে কাজ করা লোকজন আকাশকে লালগঞ্জ সিএইচসিতে নিয়ে গেলে সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

একই ধারাবাহিকতায় পলনা ব্লকের সরাই খুরসু গ্রামে বজ্রপাতে অনিতা, মনীষা, সোনু ও রেনু আংশিকভাবে ঝলসে যায়। যার চিকিৎসা চলছে বেসরকারি হাসপাতালে। একই সময়ে বুধনপুর তহসিলের বুধনপুরে বজ্রপাতে ধান রোপনকারী অনুজ কুমারের মৃত্যু হয়েছে। কিরণও ধান লাগানোর সময় বজ্রপাতে ঝলসে যায়। তাকে রাণীপুরের কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে ভর্তি করা হয়, সেখান থেকে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে চিকিৎসক তাকে জেলা হাসপাতালে রেফার করেন।

Tags: আজমগড়ের খবর, আজমগড় পুলিশ, ইউপি বৃষ্টি

,



Source link

Previous articleদাবি: আসামের 15 থেকে 16 কংগ্রেস বিধায়ক দ্রৌপদী মুর্মুর পক্ষে ভোট দিয়েছেন
Next articleক্রস ভোটিং এবং সহ-সভাপতি নির্বাচনে তৃণমূলের সিদ্ধান্ত বিরোধী ঐক্যে ফাটল ধরেছে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here